BLANTERTOKOv105
7317778515567598442
পলিটেকনিকে ভর্তির সময় ৮ দিন বাড়লো

ঢাকা : ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহে ভর্তি আবেদনের সময় ৮ দিন বাড়ানো হয়েছে। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অশোক কুমার বিশ্বাস বাংলামেইলকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘১২ জুন পর্যন্ত সময় নির্ধারিত ছিল।

১৬ জুন একাদশে ভর্তির আবেদনের ফলাফল দেবে। ১২ তারিখে কারিগরিতে ভর্তির আবেদন বন্ধ করে দিলে, ওদিকে ১৬ তারিখের ফলাফলে কেউ সুযোগ না পেলে তখন দেখা যাবে তার ভর্তির আর সুযোগ থাকবে না।’ তিনি বলেন, ‘অন্তত একটা দরজা তো খোলা রাখতে হবে। যাতে কোনো শিক্ষার্থী বিপদে না পড়ে। আমরা মিটিংয়ে বসেছিলাম। এ বিষয়ের উপর ভিত্তি করে ২০ জুন পর্যন্ত আবেদনের সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

 ২৬ জুন মনোনীতদের মেধাক্রম অনুযায়ী তালিকা প্রকাশ করা হবে। মেধা তালিকার ভর্তি ২৭-৩০ জুন। অপেক্ষমান তালিকা থেকে ভর্তি ২-২৫ জুলাই পর্যন্ত। ক্লাস শুরু ১৬ আগস্ট থেকে। ভর্তি সংক্রান্ত সব তথ্য কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.techedu.gov.bd) দেয়া আছে।

ঢাকা : ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহে ভর্তি আবেদনের সময় ৮ দিন বাড়ানো হয়েছে। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অশোক কুমার বিশ্বাস বাংলামেইলকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘১২ জুন পর্যন্ত সময় নির্ধারিত ছিল।

১৬ জুন একাদশে ভর্তির আবেদনের ফলাফল দেবে। ১২ তারিখে কারিগরিতে ভর্তির আবেদন বন্ধ করে দিলে, ওদিকে ১৬ তারিখের ফলাফলে কেউ সুযোগ না পেলে তখন দেখা যাবে তার ভর্তির আর সুযোগ থাকবে না।’ তিনি বলেন, ‘অন্তত একটা দরজা তো খোলা রাখতে হবে। যাতে কোনো শিক্ষার্থী বিপদে না পড়ে। আমরা মিটিংয়ে বসেছিলাম। এ বিষয়ের উপর ভিত্তি করে ২০ জুন পর্যন্ত আবেদনের সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’
সাঁড়াশি অভিযান নিয়ে বিএনপির প্রশ্ন

দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই অভিযানকে বর্ণনা করেছেন ‘জনগণের আন্দোলনকে দমিয়ে রাখতে’ সরকারের একটি ‘কৌশল’ হিসেবে।  “আজ এই সাঁড়াশি অভিযানের অজুহাত দিয়ে তারা আবারও বিরোধী দলের ওপর চড়াও হবে বলে আমরা আশঙ্কা করছি,” বলেছেন তিনি। দেশে একের পর এক জঙ্গি কায়দায় হত্যা-হামলার প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এই অভিযানের ঘোষণা দেওয়া হয়।

‘জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামছে পুলিশ’ শিরোনামে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশব্যাপী এই অভিযান শুক্রবার ভোর থেকে শুরু হয়ে চলবে সাত দিন।  গত এক বছরে লেখক, প্রকাশক, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টদের হত্যার পাশাপাশি বিদেশি, হিন্দু পুরোহিত, খ্রিস্টান যাজক, বৌদ্ধ ভিক্ষু আক্রান্ত হওয়ার পর সম্প্রতি চট্টগ্রামে একই কায়দায় খুন হন এক পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী। তারপরই পুলিশের এই অভিযানের যোষণা আসে।

সরকারবিরোধী আন্দোলনে নাশকতার দিকে ইঙ্গিত করে এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য বিএনপি-জামায়াতকে দায়ী করে আসছেন ক্ষমতাসীন দলের নেতারা। ওই অভিযোগ ‘অমূলক নয়’ মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার বলেন, “একটা কথা ভুলে গেলে চলবে না, আমি হেড অফ দি গভার্নমেন্ট। আমার কাছে নিশ্চয়ই তথ্য আছে।”

সাঁড়াশি অভিযান নিয়ে বিএনপির প্রশ্ন

এর পাল্টায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বৃহস্পতিবার দাবি করেন, আওয়ামী লীগ ও তার রাজনৈতিক মিত্ররাই এসব ঘটনায় জড়িত।

নির্বাচনী সংঘাতে আহত গাইবান্ধার বিএনপি নেতা আজিজুর রহমানকে দেখতে শুক্রবার সকালে আগারগাঁওয়ের পঙ্গু হাসপাতালে গিয়ে মির্জা ফখরুলও সাংবাদিকদের সামনে এ বিষয়ে কথা বলেন।

গত কয়েক দিনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে সন্দেহভাজন পাঁচ জঙ্গিসহ নয়জনের মৃত্যুর প্রসঙ্গে টেনে তিনি বলেন, “আপনারা লক্ষ্য করেছেন, এই ধরনের সাঁড়াশি অভিযানের কথা বলছে, ইতোমধ্যে ক্রসফায়ার বা তথাকথিত বন্দুকযুদ্ধের ঘটনাও বেড়ে গেছে।”

গত ২ জুন ইউনিয়ন পরিষদের শেষ ধাপের ভোটের দুদিন আগে গাইবান্ধায় গুলিতে আহত হন ফুলছড়ি উপজেলার ভেরেন্ডাবাড়ি ইউপিতে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী আজিজুর রহমান। ভোটে তিনিই চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
জঙ্গি তৎপরতায় তৎপর ছাত্রদল-শিবির: কামরুল

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে জঙ্গিবিরোধী ‘সাঁড়াশি অভিযানের’ নামে সরকারবিরোধীদের ‘দমনের’ যে অভিযোগ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর করেছেন- তাও নাকচ করে দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে ছাত্রলীগ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন কামরুল ইসলাম। খাদ্যমন্ত্রী কামরুল বলেন, “বিএনপি আজকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। সরকার সাঁড়াশি অভিযান চালাচ্ছে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে। মির্জা ফখরুল ইসলাম বলছেন, এটা বিএনপির নেতাকর্মীদের হেনস্তা-হয়রানি করার জন্য; আমি বলি, না।

“আলমগীর সাহেব, সরকার সন্ত্রাসী ধরতে অভিযান চালাচ্ছে। সন্ত্রাসীদের ধরার জন্য, সেই সন্ত্রাসীরা যদি আপনার দলের থাকে, সেই সন্ত্রাসী যদি ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হয়- তাহলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।” রাজনৈতিক পরিচয়ে সন্ত্রাসী হিসেবে কাজ করলে সরকার কোনো ছাড় দেবে না- জানিয়ে তিনি বলেন, “বহু সহ্য করেছি। বহু ছাড় দেওয়া হয়েছে।”

জঙ্গিদের বিরুদ্ধে শহরে ‘না পেরে’ গ্রাম-গঞ্জে সন্ত্রাসী তৎপরতা চালানোর অভিযোগ করে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা কামরুল বলেন, “শহরে পারে না, এখন গ্রামে-গঞ্জে গেছে- সন্ত্রাস করা জন্য।

জঙ্গি তৎপরতায় তৎপর ছাত্রদল-শিবির: কামরুল


“আজকে গোপন তৎপরতা, গুপ্ত তৎপরতা চালাচ্ছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা চালাচ্ছে, নিরীহ ধর্মযাজকদের হত্যা করছে।” ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের কাউকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না- দাবি করে কামরুল ইসলাম বলেন, “বাটি চালান দিলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু এরা আছে। ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা সারা দেশে জঙ্গি তৎপরতা চালানোর জন্য তৎপর রয়েছে।”

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমানের মামলা প্রায় ‘শেষ পথে’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, “এদের ভবিষ্যৎ কী হবে- তারা জানে না। আজকে তারা মরিয়া হয়ে উঠেছে দেশটাকে ধ্বংস করতে।”

বিএনপি বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনকে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে অভিযোগ করে কামরুল ইসলাম বলেন, “যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদের অতীত ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, তারা জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ত। আপনারা তাদের সঙ্গে কাজ করছেন।” প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “শিক্ষা বলেন, খাদ্য বলেন, কৃষি বলেন, বিদ্যুৎ বলেন- প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। যেটা কল্পনাও করতে পারেনি বাংলাদেশের মানুষ।”

শেখ হাসিনা বিশ্ব রাজনীতির ক্ষেত্রেও সফল হয়েছেন মন্তব্য করে কামরুল ইসলাম বলেন, “যারা এই সফলতা সহ্য করতে পারে না, … তারাই বাংলাদেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।

“এরা ষড়যন্ত্রের কোন পর্যায়ে চলে গেছে কল্পনাও করতে পারবেন না। বাংলাদেশকে জঙ্গিবাদী রাষ্ট্র বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, সন্ত্রাসী রাষ্ট্র বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীদের সঙ্গে এই বিএনপি-জামায়ত গাটছাড়া বেঁধে সন্ত্রাসী তৎপরতা চালাচ্ছে।”

এসময় শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে ‘এসব সন্ত্রাসী ও ষড়যন্ত্রকারীর’ বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য ছাত্রলীগের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন।

এতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শেখ সোহেল রানা টিপু ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ সাকিব বাদশা।
খালেদার ইফতারে বিদিশা

রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারের ‘নবরাত্রি হলে’ রাজনীতিবিদদের সম্মানে তার দেওয়া ইফতার পার্টিতে ছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিকও।ইফতারে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের বাইরে শুধু কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার ও সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম দেলোয়ারসহ দলটির নেতারা অংশ নেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে বিএনপি চেয়ারপারসন আমন্ত্রণ জানালেও তারা ইফতারে যোগ দেননি।

বিদিশা ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) আহসান হাবিব লিংকন ও বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদের পাশে বসে ইফতার করেন। ইফতারের আগে খালেদা জিয়া আমন্ত্রিত অতিথিদের টেবিল ঘুরে ঘুরে তাদের সঙ্গে ‍কুশল বিনিময় করেন।

খালেদার ইফতারে বিদিশা

এলডিপির অলি আহমেদ, জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মজিবুর রহমান, ইসলামী ঐক্যজোটের এমএ রকিব, বিজেপির আন্দালিব রহমান পার্থসহ ২০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে মূল টেবিলে ইফতার করেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

জোটের অন্য শীর্ষ নেতাদের মধ্যে কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, এলডিপির রেদোয়ান আহমেদ, জামায়াতে ইসলামীর মসিউল আলম, সেলিম উদ্দিন, আবদুর রব, গোলাম মোস্তফা, আবদুল হালিম, শামীম সাঈদী, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) টিআইএম ফজলে রাব্বী চৌধুরী, মোস্তফা জামাল হায়দার, এসএমএম আলম, আহসান হাবিব লিংকন, নোয়াব আলী আব্বাস খান, ইসলাম ঐক্যজোটের মাওলানা আবদুল করিম, খেলাফত মজলিশের মজিবুর রহমান পেশায়ারী, জাগপার শফিউল আলম প্রধান, এনডিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, খন্দকার গোলাম মূর্তজা, মুসলিম লীগের এএইচএম কামরুজ্জামান খান, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, হামদুল্লাহ আল মেহেদি, পিপলস লীগের গরীবে নেওয়াজ, সৈয়দ মাহবুব হোসেন, ন্যাপ-ভাসানীর আজহারুল ইসলাম, বাংলাদেশ ন্যাপের জেবেল রহমান গানি, সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামীর মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস, মুফতি আবদুর রব ইউসুফী, ডিএল’র সাইফুদ্দিন মনি, ইসলামিক পার্টির আবু তাহের চৌধুরী ইফতারে অংশ নেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, মাহবুবুর রহমান, তরিকুল ইসলাম, আ স ম হান্নান শাহ, জমির উদ্দিন সরকার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, এম মোর্শেদ খান, আবদুল্লাহ আল নোমান, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সেলিমা রহমান, খন্দকার মাহবুব হোসেন, শাহজাহান ওমর, মীর নাসির, ইনাম আহমেদ চৌধুরী, আবদুল হালিম, সুজাউদ্দিন, জয়নুল আবেদীন, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, রুহুল আলম চৌধুরী, হায়দার আলী, আহমেদ আজম খান, আবদুল কাউয়ুম, আমানউল্লাহ আমান, মজিবুর রহমান সারোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবীর খোকন, লুৎফর রহমান খান আজাদ, রুহুল কদ্দুস তালুকদার দুলু, শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, অধ্যাপক আবদুল্লাহসহ কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক সাংসদরা ছিলেন এই ইফতারে।
অভিযানের নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য ‘ঈদ বকশিশ’: বিএনপি

শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, “গুপ্তহত্যা ঠেকাতে যৌথ অভিযান শুরুর পর সারাদেশে ১২’শর বেশি ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অভিযোগ উঠেছে জঙ্গি দমনে অভিযান বলা হলেও বিএনপিসহ বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।

এই ‘গণগ্রেপ্তারে’ ব্যাপকভাবে বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে দাবি করে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ ও বিএনপিসহ বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বড় অঙ্কের টাকা আদায় করা হচ্ছে।”

“পুলিশ নির্ভর অবৈধ ভোটারবিহীন সরকার ঈদের আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বখশিস হিসেবে গ্রেপ্তার বাণিজ্যের সুযোগ করে দিচ্ছে বলে জনগণ মনে করে,” বলেন রিজভী।

দেশে একের পর এক জঙ্গি কায়দায় হত্যা-হামলার প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এই অভিযানের ঘোষণা দেওয়া হয়। 

অভিযানের নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য ‘ঈদ বকশিশ’: বিএনপি

‘জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামছে পুলিশ’ শিরোনামে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশব্যাপী এই অভিযান শুক্রবার ভোর থেকে শুরু হয়ে চলবে সাত দিন।

অভিযানের প্রথম দিন সারাদেশে সহস্রাধিক মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ৩৭ জন ‘জঙ্গি’ রয়েছে বলে পুলিশের দাবি।

নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, “আমরা বিভিন্ন জায়গা থেকে যেসব খবর পাচ্ছি, গণগ্রেপ্তারের নামে বিএনপির নেতাকর্মীদের বাসায় ঢুকছে, তল্লাশি করছে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছাড়াই।

“সম্প্রতি উচ্চ আদালতে ৫৪ ধারা বিষয়ক যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, সেটিকে পুলিশ উপেক্ষা করছে। আমরা মনে করি এটি আদালতের প্রতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চরম ধৃষ্টতার শামিল।”

পাবনায় আশ্রমের সেবায়েত নিত্য রঞ্জন পান্ডে হত্যার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নাকি হেড অব দ্য গভর্নমেন্ট হিসেবে সকল তথ্য পেয়ে থাকেন। তাই যদি হয়, তাহলে উনার সংবাদ সম্মেলনের একদিন পরেই নিত্য রঞ্জন পান্ডেকে কী করে কুপিয়ে হত্যা করলে দুর্বৃত্তরা?

“আসলে প্রধানমন্ত্রী প্রকৃত জঙ্গিবাদ দমন করতে চান না। মূলত বিরোধীদল দমনই তাদের উদ্দেশ্য। গতকাল আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করীম সেলিম বলেছেন, শিগগিরই টার্গেট কিলিং বন্ধ হবে। এজন্য জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, এসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তারাই জড়িত কিনা?”

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সারাদেশে গুপ্ত হত্যা চালাচ্ছেন বলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রিজভী বলেন, “সকল দিক থেকে ব্যর্থ এই সরকার, কুপথগামী সরকার। উনার (শেখ হাসিনা) কুপথ ও কুকথা ছাড়া তো আর কিছু নাই। আজ ৭/৮ বছর উনি ক্ষমতায় আছেন। এই সময়ের মধ্যে জঙ্গিদের এতো ঘটনা এভাবে কেন এতো ডালপালা বিস্তার করল? এটা সকল দিক থেকে ব্যর্থ সরকারের পাগলের প্রলাপ ছাড়া আর কিছুই না।”

সংবাদ সম্মেলনে দলের যুগ্ম মহাসচিব মজিবুর রহমান সারোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হারুনুর রশীদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শামা ওবায়েদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, সেলিমুজ্জামান সেলিম, মাহবুবুল হক নান্নু, শহীদুল ইসলাম বাচ্চু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।